
সীতাকুণ্ডে ১৫ বছর বয়সী কিশোর নিখোঁজ, ৯ দিনেও মেলেনি সন্ধান—উদ্বিগ্ন পরিবার
মো:রমিজ আলী, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকায় সায়েম শাহেদ ভূঁইয়া (১৫) নামের এক কিশোর গত ৯ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সে বাড়বকুণ্ড হাসেমনগর এলাকার আনোয়ার শাহেদ ভূঁইয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। পরিবার ও থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সায়েম শাহেদ মসজিদের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। বিষয়টি প্রথমে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া হলেও রাত গভীর হলেও সে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন। পরে রাতেই আশপাশের এলাকা, স্থানীয় মসজিদ, বন্ধুবান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। পরদিন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু কোথাও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সবশেষে ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। জিডি নম্বর-৬১। নিখোঁজ কিশোরের চাচা বাবলু জানান, “আমরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেছি। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কারো কাছেই তার কোনো খবর নেই। এতদিনেও কোনো সূত্র না পাওয়ায় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা আশঙ্কা করছি, সে কোনো অপহরণ চক্রের কবলে পড়েছে কি না। দ্রুত তার সন্ধান পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছি।” এদিকে নিখোঁজের পর থেকে সায়েম শাহেদের মা মাহিনা আক্তার...
মো:রমিজ আলী,
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড এলাকায় সায়েম শাহেদ ভূঁইয়া (১৫) নামের এক কিশোর গত ৯ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। সে বাড়বকুণ্ড হাসেমনগর এলাকার আনোয়ার শাহেদ ভূঁইয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
পরিবার ও থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সায়েম শাহেদ মসজিদের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। বিষয়টি প্রথমে স্বাভাবিকভাবে নেওয়া হলেও রাত গভীর হলেও সে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন।
পরে রাতেই আশপাশের এলাকা, স্থানীয় মসজিদ, বন্ধুবান্ধব ও সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়। পরদিন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ নেওয়া হয়। কিন্তু কোথাও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। সবশেষে ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। জিডি নম্বর-৬১।
নিখোঁজ কিশোরের চাচা বাবলু জানান, “আমরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেছি। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কারো কাছেই তার কোনো খবর নেই। এতদিনেও কোনো সূত্র না পাওয়ায় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা আশঙ্কা করছি, সে কোনো অপহরণ চক্রের কবলে পড়েছে কি না। দ্রুত তার সন্ধান পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছি।”
এদিকে নিখোঁজের পর থেকে সায়েম শাহেদের মা মাহিনা আক্তার লিপি বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়ছেন এবং মানসিকভাবে ভীষণ ভেঙে পড়েছেন। পুরো পরিবারই এখন উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয়রাও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত কিশোরটিকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন। তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
কেউ সায়েম শাহেদ ভূঁইয়ার সন্ধান পেয়ে থাকলে বা কোথাও দেখে থাকলে তার চাচা বাবলুর মোবাইল নম্বর ০১৯০৪০৬৯১৮৬-এ যোগাযোগ করার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।