
সীতাকুণ্ডে বেপরোয়া লরির ধাক্কায় তরুণ নিহত: ভাটিয়ারীতে মহাসড়কে ফের ঝরল প্রাণ, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী
মো:রমিজ আলী, সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের শহীদ মিনার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আনিসুর রহমান চৌধুরী (জাবিন চৌধুরী) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলায় রাস্তা পারাপারের সময় বেপরোয়া গতির একটি লরি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও পথেই তার মৃত্যু হয়। নিহত জাবিন চৌধুরী সীতাকুণ্ডের মধ্যম ঘোড়ামরা এলাকার বাসিন্দা এবং রোজ গার্ডেন একাডেমি স্কুলের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের মাতম বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় লরিটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলছিল এবং চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি। তাদের দাবি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে দীর্ঘদিন ধরেই ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাবে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্ত লরি চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা সীতাকুণ্ডের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে কঠোর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তুলেছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে। বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম...
মো:রমিজ আলী,
সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের শহীদ মিনার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আনিসুর রহমান চৌধুরী (জাবিন চৌধুরী) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে ঘটে যাওয়া এই দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালবেলায় রাস্তা পারাপারের সময় বেপরোয়া গতির একটি লরি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও পথেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত জাবিন চৌধুরী সীতাকুণ্ডের মধ্যম ঘোড়ামরা এলাকার বাসিন্দা এবং রোজ গার্ডেন একাডেমি স্কুলের ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকের মাতম বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় লরিটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলছিল এবং চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেননি। তাদের দাবি, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এই অংশে দীর্ঘদিন ধরেই ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাবে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্ত লরি চালককে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা সীতাকুণ্ডের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে কঠোর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তুলেছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো প্রাণহানি না ঘটে।
বার আউলিয়া হাইওয়ে পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, “দুর্ঘটনায় এক তরুণ নিহত হয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—মহাসড়কে অসচেতনতা ও বেপরোয়া গতিই যেন প্রাণহানির বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নিলে এমন দুর্ঘটনা আরও বাড়বে।