
তারুণ্যের অহংকার ও বগুড়ার আগামীর স্বপ্নদ্রষ্টা: শামীম আহসান।
মোঃ গোলাম রব্বানী প্রতিনিধি ধুনট বগুড়া মোঃ শামীম আহসান"—নামটি এখন আর কেবল একটি পরিচয় নয়, এটি যেন বগুড়ার সাধারণ মানুষের আস্থার অন্য এক নাম। স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেওয়া এই মানুষটি আজ নিজেকে কেবল একজন নেতার গণ্ডিতে আটকে রাখেননি, বরং হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের মানুষের পরম বন্ধু ও বিপদের সঙ্গী। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে পথ চলা শামীম আহসান আজ বগুড়াবাসীর স্বপ্নের সারথি। ছাত্রদলের লড়াকু সৈনিক হিসেবে রাজনীতির সেই উত্তাল দিনগুলো থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়েও তিনি তারেক রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন অবিচলভাবে। দলের প্রতি আনুগত্য এবং জনগণের প্রতি অগাধ ভালোবাসাই তার রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন নেতাকে অবশ্যই জনগণের কাতারে থাকতে হয়, তাদের হাসি-কান্নার ভাগীদার হতে হয়। আর শামীম আহসান সেই কাজটিই করে চলেছেন দিনের পর দিন। বর্তমানে শামীম আহসানের প্রতিটি পদচারণা, প্রতিটি শ্লোগান কেবল একটি লক্ষ্যকে ঘিরেই—"বগুড়া বিভাগ"। তিনি মনে করেন, উন্নয়নের মহাসড়কে বগুড়াকে এগিয়ে নিতে বিভাগের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, তারেক রহমানের হাত ধরেই বগুড়াবাসীর এই দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত দাবি পূরণ হবে। জনসভার প্রতিটি মঞ্চে, প্রতিটি আলোচনায় তিনি বারবার উচ্চারণ করেন বগুড়া বিভাগের গুরুত্বের কথা। তিনি বলেন, "বগুড়া বিভাগ শুধু একটি প্রশাসনিক কাঠামো নয়, এটি উত্তরাঞ্চল কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি।" একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে...
মোঃ গোলাম রব্বানী প্রতিনিধি ধুনট বগুড়া
মোঃ শামীম আহসান”—নামটি এখন আর কেবল একটি পরিচয় নয়, এটি যেন বগুড়ার সাধারণ মানুষের আস্থার অন্য এক নাম। স্কুলজীবন থেকেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেওয়া এই মানুষটি আজ নিজেকে কেবল একজন নেতার গণ্ডিতে আটকে রাখেননি, বরং হয়ে উঠেছেন তৃণমূলের মানুষের পরম বন্ধু ও বিপদের সঙ্গী। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে পথ চলা শামীম আহসান আজ বগুড়াবাসীর স্বপ্নের সারথি।

ছাত্রদলের লড়াকু সৈনিক হিসেবে রাজনীতির সেই উত্তাল দিনগুলো থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়েও তিনি তারেক রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন অবিচলভাবে। দলের প্রতি আনুগত্য এবং জনগণের প্রতি অগাধ ভালোবাসাই তার রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন নেতাকে অবশ্যই জনগণের কাতারে থাকতে হয়, তাদের হাসি-কান্নার ভাগীদার হতে হয়। আর শামীম আহসান সেই কাজটিই করে চলেছেন দিনের পর দিন।

বর্তমানে শামীম আহসানের প্রতিটি পদচারণা, প্রতিটি শ্লোগান কেবল একটি লক্ষ্যকে ঘিরেই—”বগুড়া বিভাগ”। তিনি মনে করেন, উন্নয়নের মহাসড়কে বগুড়াকে এগিয়ে নিতে বিভাগের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, তারেক রহমানের হাত ধরেই বগুড়াবাসীর এই দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত দাবি পূরণ হবে। জনসভার প্রতিটি মঞ্চে, প্রতিটি আলোচনায় তিনি বারবার উচ্চারণ করেন বগুড়া বিভাগের গুরুত্বের কথা। তিনি বলেন, “বগুড়া বিভাগ শুধু একটি প্রশাসনিক কাঠামো নয়, এটি উত্তরাঞ্চল কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের চাবিকাঠি।”
একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি বর্তমানে নানামুখী দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তার পরিচয়গুলো কেবল পদবি নয়, বরং দায়িত্বের প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন:
সাবেক ছাত্রনেতা: রাজনীতির ময়দানে পোড় খাওয়া এক অভিজ্ঞ সৈনিক।
আহ্বায়ক, বগুড়া বিভাগ চাই: উত্তরের উন্নয়নের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মূল কান্ডারি।

বগুড়া জেলা উন্নয়ন পরিষদ: আঞ্চলিক উন্নয়নের রূপকার।
বগুড়া জেলা নাগরিক কমিটি: সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের অগ্রপথিক।
বগুড়ার মাটির প্রতি টান, মানুষের প্রতি মমতা আর উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে শামীম আহসান আজ সাধারণ মানুষের মাঝে এক আস্থার প্রতীক। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, পদ-পদবির চেয়েও বড় হচ্ছে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করা। তারুণ্যের শক্তি আর প্রবীণের অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি যে পথচলা শুরু করেছেন, সেই পথেই বগুড়াবাসী দেখতে পায় আগামী দিনের সোনালী সম্ভাবনা।