এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রাম ১ মীরসরাই আসন থেকে বিএনপি’র যিনি এমপি নির্বাচিত হয়েছেন সেই নুরুল আমিন কে এখন যে বা যারা ফুল দিয়ে ছবি তুলে বরণ নেয়ার প্রতিযোগিতায় মত্ত রয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের ভুমিকা বিগত আওয়ামী জামানার দুঃশাসনামলে কি ছিলো? এমনকি নির্বাচনের আগে ও কি রকম ছিলো? এ ছাড়া যে বা যারা রোজা-রমজান মাসের আগে বিভিন্ন ভাবে সংবর্ধনা দেয়ার নামে নুরুল আমিন এমপি’র মন খুশি করে ফায়দা লুটে নেয়ার চিন্তায় বিভোর রয়েছে তাদের সম্পর্কে কেউ কি কিছু জানেন? এর বাইরে রোজা রমজান মাসে ইফতার মাহফিল এর আয়োজন করার নামে এমপি নুরুল আমিন কে প্রধান অতিথি বানিয়ে কে বা কারা কি করতে চাইছে তা তিনি ও কম বুঝতে পারেন/পারবেন বলে ও কারো মনে হওয়ার কথা নয়।
কারণ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুঃশাসনামলে আজকের এমপি নুরুল আমিন শতো হামলা-মামলা, অপমান-অপর্দস্ত এবং অত্যাচার-নির্যাতনকে সাথী করে নিয়ে রাজনৈতিক প্লাটফর্মে থাকার সুবাদে অন্যদের থেকে অনেক বেশি জানার কথা এবং উপলব্ধিতে ও থাকার কথা। আর সে কারণেই তিনি ওই সব ব্যাক্তি বিশেষদের চিনতে- জানতে কোনো রকম কষ্ট হওয়ার কথা নয় বলে মনে করেন অনেকেই।
মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন এবং ২ টি পৌরসভা এলাকায় যে বা যাদেরকে বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সোৎসাহে ব্যবসা বাণিজ্য চালিয়ে যেতে দেখা গেছে এবং যাদেরকে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-সমাবেশে অগ্রকাতারে দেখা গেছে তারা ও এখন বিএনপি’র সুবিধা ভোগী নেতা কর্মী নামধারীদের সাথে বিভিন্ন উপটোকনের বিনিময়ে খোশ গল্পে চলাফেরা করতে দেখা যায়/যাচ্ছে। আর তারা-ই ওই সব আওয়ামীদের এমপি নুরুল আমিন এর ধারে কাছে ঘেঁষে সুযোগ করে দিয়েছে/দিচ্ছে।
এর বাইরে রয়েছে দলের মধ্যে কতেকগুলো কু’চক্রি ব্যাক্তি বিশেষ। যারা বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামল সহ নির্বাচনের আগে ও তার বিরোধিতা করে দলের বারোটা বাজানো অনেক ক্ষতি করেছিলো। কিন্তু, বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর কঠোর নির্দেশনা মানতে গিয়ে নির্বাচন কালীন সময়ে কিছু টা নমনীয়তার ভাব দেখিয়ে তার সাথে মিশে যাওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিতে সক্ষম হয়। হিসেব কষে দেখলে অতি সহজেই ষষ্ঠ হয়ে উঠবে যে, ওই সব ব্যাক্তি বিশেষ নির্বাচনে নুরুল আমিন এর জন্য কে, কতোটুকু অবদান রেখেছিলো। ওই সব ব্যাক্তিরা কে, কয়টা ভোট নুরুল আমিন এর জন্য নিয়ে দিতে পেরেছিলো? অনুমান নির্ভর হয়ে বললে এর সত্যতা ও খুঁজে পাওয়া যেতে পারে যে, ওই সব ব্যাক্তিদের মধ্যে এমন ও আছে যে, তাদের মধ্যে অনেকেই পরিবার পরিজনের ভোট প্রদান করানোর ব্যাপারে কোনো ভুমিকা-ই রাখেনি! উপরন্তু নিজেরা নিজেদের ভোট টা ও দেয়নি!!
ওই সব ব্যাক্তিদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যে, নির্বাচনের পর খ’দিন যেমন তেমন থাকলে ও আস্তে আস্তে পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যান।
আর তারা-ই এখন এমপি নুরুল আমিন এর বিভিন্ন বিষয়ে কঠোরতা মানতে না পেরে তার বিরুদ্ধাচরণ করার বিষয়ে মশগুল তা দেখাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
কাজেই নবনির্বাচিত বিএনপি’র এমপি নুরুল আমিন কে উপরের বিষয়াবলী সম্পর্কে মাথায় রেখে খুব নিঘুঁড় ভাবে চিন্তা করে তার পর যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে!নয় তো মীরসরাইয়ের যে কোনো ঘটনা+দুর্ঘটনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত যে কোনো ঘটনা সহ নানাবিধ: দলের চেয়ারম্যান এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর কাছে জবাদিহী করতে হবে। এবং জবাবদিহি করতে গিয়ে হিমশীম ও খেতে হবে নির্ঘাত।