মোঃ মোবারক হোসেন নাদিম
স্টাফ রিপোর্টার (নরসিংদী)। 

বিনামূল্যে প্রায় ২ হাজার মানুষের কিডনি প্রতিস্থাপন করে দেশজুড়ে যিনি ‘মানবিক ডাক্তার’ হিসেবে পরিচিত, সেই অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার ধৃষ্টতা দেখিয়েছে একটি কুচক্রী মহল। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যাওয়া এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় দেশবাসী আজ স্তম্ভিত। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে একদল সুবিধাবাদী ও ‘টোকাই’ শ্রেণির লোক এই অপকর্মের সাথে জড়িত।

দীর্ঘ ১৭ বছরের ত্যাগ ও পরিশ্রমে গড়া রাজনৈতিক ও সামাজিক অর্জনগুলো যেন গুটিকয়েক চাঁদাবাজের অপকর্মে ধূলিসাৎ না হয়, সেজন্য এখনই সময় এসেছে সজাগ হওয়ার। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ঘাপটি মেরে থাকা এ ধরণের ভূমিহীন ও ভাড়াটিয়া চাঁদাবাজদের এখনই লাগাম টেনে ধরতে হবে। নতুবা অচিরেই এদের কারণে দলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে, যার জন্য ভবিষ্যতে পস্তাতে হতে পারে।
এসব ভাড়াটিয়া ও সুযোগসন্ধানী অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা এখন সময়ের দাবি। দলের ম্যান্ডেট অক্ষুণ্ণ রাখতে হলে এদের কোনো ছাড় দেওয়া চলবে না। যারা দানবীর ও সমাজের উপকারী মানুষদের স্বাভাবিক চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি করে, তাদের এখনই প্রতিহত করতে হবে। অন্যথায় প্রধানমন্ত্রীর ‘মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন ভেস্তে যেতে পারে।

মনে রাখতে হবে, অপরাধীর কোনো দল নেই। তাদের একমাত্র লক্ষ্য নিজের স্বার্থ হাসিল করা। তাই আসুন, চাঁদাবাজমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। দেশকে এগিয়ে নিতে আজ সৎ ও দৃঢ় মনোভাবাপন্ন নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।