
চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ের ঠাকুর দীঘি এলাকায় পারিবারিক বিরোধে কৃষক চৌধুরী মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা
এম,এ কাশেম,বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ৮ নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের ঠাকুর দীঘি এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে মোহাম্মদ চৌধুরী মিয়া (৪২) নামের এক কৃষকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ঠাকুরদিঘী বাজারের উত্তর পাশে থাকা ইটভাটার পাশের ফসলি জমি থেকে কৃষক চৌধুরী মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়৷ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানান,নিহত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের কোপানোর দাগ রয়েছে৷ এবং সম্ভবত তার কাছে থাকা গামছা দিয়ে তার দুই পা বাঁধা অবস্থায় পড়ছিলো লাশ ঘটনাস্থল থেকে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। নিহত কৃষক চৌধুরী মিয়ার পরিবারের দাবী পরিকল্পিত ভাবে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ উক্ত ফসলি জমিতে ফেলে রেখে গেছে হত্যা কারীরা। হত্যাকান্ড ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হকের কাছে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এটি মামা- ভাগিনার পারিবারিক বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের বশত হত্যাকান্ড। ওসি নাজমুল হক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান।
এম,এ কাশেম,বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ৮ নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের ঠাকুর দীঘি এলাকার একটি ফসলি জমি থেকে মোহাম্মদ চৌধুরী মিয়া (৪২) নামের এক কৃষকের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে ঠাকুরদিঘী বাজারের উত্তর পাশে থাকা ইটভাটার পাশের ফসলি জমি থেকে কৃষক চৌধুরী মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়৷
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানান,নিহত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের কোপানোর দাগ রয়েছে৷ এবং সম্ভবত তার কাছে থাকা গামছা দিয়ে তার দুই পা বাঁধা অবস্থায় পড়ছিলো লাশ ঘটনাস্থল থেকে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
নিহত কৃষক চৌধুরী মিয়ার পরিবারের দাবী পরিকল্পিত ভাবে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ উক্ত ফসলি জমিতে ফেলে রেখে গেছে হত্যা কারীরা।
হত্যাকান্ড ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী নাজমুল হকের কাছে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এটি মামা- ভাগিনার পারিবারিক বিষয়ে পূর্ব শত্রুতার জের বশত হত্যাকান্ড।
ওসি নাজমুল হক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান।