
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমলেও বাংলা দেশে বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য
মিজানুর রহমান/ মিরসরাই চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেলেও দেশে উল্টো বাড়ানো হয়েছে খুচরা পর্যায়ের মূল্য। বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০–১১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৮ ডলারের ঘরে নেমে এসেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে। এ অবস্থায় নতুন ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা দেশে প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন মূল্যহার অনুযায়ী অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই নতুন দাম আজ রাত থেকেই কার্যকর হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার ঘোষণাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে—এমন প্রত্যাশায় বাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে দেশে দাম বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারের সমন্বয় তাৎক্ষণিকভাবে হয় না। আগের উচ্চ দামে আমদানি করা জ্বালানি, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, পরিশোধন ও পরিবহন ব্যয়সহ নানা উপাদান বিবেচনায় নিয়ে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি সরাসরি পরিবহন খরচ বাড়াবে, যার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত মূল্য...
মিজানুর রহমান/ মিরসরাই চট্টগ্রাম
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেলেও দেশে উল্টো বাড়ানো হয়েছে খুচরা পর্যায়ের মূল্য। বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১০–১১ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৮৮ ডলারের ঘরে নেমে এসেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে।
এ অবস্থায় নতুন ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা দেশে প্রতি লিটার জ্বালানি তেলের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন মূল্যহার অনুযায়ী অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই নতুন দাম আজ রাত থেকেই কার্যকর হবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার ঘোষণাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে—এমন প্রত্যাশায় বাজারে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
তবে দেশে দাম বাড়ানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারের সমন্বয় তাৎক্ষণিকভাবে হয় না। আগের উচ্চ দামে আমদানি করা জ্বালানি, ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি, পরিশোধন ও পরিবহন ব্যয়সহ নানা উপাদান বিবেচনায় নিয়ে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি সরাসরি পরিবহন খরচ বাড়াবে, যার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও। ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত মূল্য পুনঃনির্ধারণের দাবি জানিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল প্রত্যাশা করছে।