
মিনু বেগমের হাতে কুমিরা মাদকের সাম্রাজ্য, এলাকাবাসীর প্রশাসনের নিকট প্রতিকারের আরজি।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ছোট কুমিরা , সীতাকুণ্ড প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি বিনীত ভাবে। ছোট কুমিরা জৈন্যপুকুর পাড় এলাকার বাসিন্দা নুর জাহান ,স্বামী রাসেল চৌধুরী, মাতা মিনু বেগম এলাকার মাদক সম্রাজ্ঞী নামে পরিচিত।বহুদিন ধরে নুরজাহান এবং তার মা মিনু বেগম,তার নিজ বাসায় মাদক,গাজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল এবং অনৈতিক অসামাজিক কর্মকান্ড প্রকাশ্যে বিক্রি করে আসতেছে, প্রশাসনের নাকের ডগায়. প্রশাসনের সাথে হাত মিলিয়ে এসব অবৈধ কর্মকান্ড করে যাচ্ছে বলে অনেকের অভিযোগ। গোপন সুত্রের মাধ্যমে জানা গেছে গত ০১/০৩/২০২৬ রোজ বুধবার, রাত ১১ টার দিকে, সীতাকুণ্ড থেকে ৫/৭ কেজির মতো গাজা, ২৫০ পিচ প্লাস ফেনসিডিল এবং ১০০০এর উপরে ইয়াবার চালান ,নিয়ে এসেছে বাড়িতে বিক্রি করার জন্য। এই নুরজাহান এবং তার মা দীর্ধঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসতেছে। সমাজের লোক প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের নামে মিথ্যা মামলা ও হামলা করে যাচ্ছে স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসনের সহায়তায়। গোপন ভাবে স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, এই মাদক চোরাচালান এবং পাচারের কাজে, এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে নুরজাহানের বাসায় দীর্ঘ ১৮/২০ বছর ঘর নিয়ে ভাড়া থাকা মিজানের এবং মিজানের মেয়ে মিম এর সম্পৃক্তার কথা, মিজান দীর্ঘদিন ধরে ঐখানে স্থানীয় জাহাজ শিল্পে জাহাজ কাটার কাজ করতো, বর্তমানে ঐ মাদক সম্রাজ্ঞী নুর জাহান ছোট কুমিরা একটা ভাতের হোটেলের ব্যবসা খূলেছূ, আর...
নিজস্ব প্রতিবেদক,
ছোট কুমিরা , সীতাকুণ্ড
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতেছি বিনীত ভাবে।
ছোট কুমিরা জৈন্যপুকুর পাড় এলাকার বাসিন্দা নুর জাহান ,স্বামী রাসেল চৌধুরী, মাতা মিনু বেগম এলাকার মাদক সম্রাজ্ঞী নামে পরিচিত।বহুদিন ধরে নুরজাহান এবং তার মা মিনু বেগম,তার নিজ বাসায় মাদক,গাজা, ইয়াবা, ফেনসিডিল এবং অনৈতিক অসামাজিক কর্মকান্ড প্রকাশ্যে বিক্রি করে আসতেছে, প্রশাসনের নাকের ডগায়. প্রশাসনের সাথে হাত মিলিয়ে এসব অবৈধ কর্মকান্ড করে যাচ্ছে বলে অনেকের অভিযোগ।
গোপন সুত্রের মাধ্যমে জানা গেছে গত ০১/০৩/২০২৬ রোজ বুধবার, রাত ১১ টার দিকে, সীতাকুণ্ড থেকে ৫/৭ কেজির মতো গাজা, ২৫০ পিচ প্লাস ফেনসিডিল এবং ১০০০এর উপরে ইয়াবার চালান ,নিয়ে এসেছে বাড়িতে বিক্রি করার জন্য। এই নুরজাহান এবং তার মা দীর্ধঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসতেছে। সমাজের লোক প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের নামে মিথ্যা মামলা ও হামলা করে যাচ্ছে স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসনের সহায়তায়।
গোপন ভাবে স্থানীয় জনগণের সাথে কথা বলে আরো জানা যায়, এই মাদক চোরাচালান এবং পাচারের কাজে, এক স্থান থেকে আরেক স্থানে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে নুরজাহানের বাসায় দীর্ঘ ১৮/২০ বছর ঘর নিয়ে ভাড়া থাকা মিজানের এবং মিজানের মেয়ে মিম এর সম্পৃক্তার কথা, মিজান দীর্ঘদিন ধরে ঐখানে স্থানীয় জাহাজ শিল্পে জাহাজ কাটার কাজ করতো,
বর্তমানে ঐ মাদক সম্রাজ্ঞী নুর জাহান ছোট কুমিরা একটা ভাতের হোটেলের ব্যবসা খূলেছূ, আর মিজানকে সেই লোক দেখানো রান্না বান্না কাজের জন্য রাখা হয়েছে, আসলো উদ্দেশ্য হলো, হোটেল ভাত খেতে আসা মাদকাসক্ত লোকজন, যেমন লরির, বাস ,ট্রাকের হেলপার ,কন্ট্রাকটর, এদের মাঝে মাদকের যেমন ইয়াবা,গাজা,ফেনসিডিল বিক্রি করা হলো মিজানের আসল কাজ, আর বাড়ি থেকে হোটেল পর্যন্ত মাদক ইয়াবা ফেনসিডিল,গাজা সাপ্লাই দেয় মিজানের মেয়ে মিম এবং নুর জাহানের মেয়ে নিশু এবং নুরজাহান নিজে,
লক্ষ্য করলে দেখা যায় প্রতিদিন রাতে অসংখ্যা মাদকসেবী নুর জাহানের বাসায় মাদক কিনতে এবং অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য যেয়ে থাকে,
এলাকা বাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা এই মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাই ,মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চায় ,মাদককে না বলতে চাই ,
বিনীতভাবে জনগণের পক্ষ থেকে আবেদন ,অনতিবিলম্বে এই মাদক সম্রাজ্ঞী মিনু তার মেয়ে নুর জাহান ,এবং তার মেয়ে নিশু এবং তাদের বাসায় ভাড়া থাকা মিজান এবং তার মেয়ে মিম এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ আশা করেন এলাকাবাসী।