
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ, গুরুতর আহত মাদ্রাসা ছাত্র
বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে এক মাদ্রাসা ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। আহত ছাত্রের নাম মোঃ মতিউর মোল্লা, পিতা মোস্তাক মোল্লা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় মতিউর নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল। সোমবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। শব্দ শুনে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে দেখে, বিস্ফোরণে মতিউরের ডান হাত ও আঙুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাকে প্রথমে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করেন। ঘটনার খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এ বিষয়ে মতিউরের পিতা জানান, তার ছেলে গোপালগঞ্জের ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে এবং নিয়মিত পড়ালেখায় মনোযোগী ছিল। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে কখনো ধারণা করেননি। টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আইয়ুব আলী জানান, “ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।” এ সময় পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
বিশ্বজিৎ চন্দ্র সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ:
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার সংলগ্ন এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে এক মাদ্রাসা ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। আহত ছাত্রের নাম মোঃ মতিউর মোল্লা, পিতা মোস্তাক মোল্লা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটিতে মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় মতিউর নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিল। সোমবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। শব্দ শুনে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে দেখে, বিস্ফোরণে মতিউরের ডান হাত ও আঙুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাকে প্রথমে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে টুঙ্গিপাড়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এ বিষয়ে মতিউরের পিতা জানান, তার ছেলে গোপালগঞ্জের ভেন্নাবাড়ি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে এবং নিয়মিত পড়ালেখায় মনোযোগী ছিল। তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে কখনো ধারণা করেননি।
টুঙ্গিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আইয়ুব আলী জানান, “ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।” এ সময় পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।