
পবিত্র মাহে রমজান সামনে রেখে পলাশবাড়ীতে দরিদ্র-হতদরিদ্র অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ হরিদাসের
মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা ধর্মীয় সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি ও নিবিড় ভ্রাতৃত্ববোধের একটি অন্যরকম ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন।পবিত্র মাহে রমজান সামনে রেখে দরিদ্র- হতদরিদ্র- অসহায় পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত অর্থায়নে চাল বিতরণ করলেন পলাশবাড়ীর হরিদাস চন্দ্র তরণীকান্ত। সবার উপর মানুষ সত্য-তাহার উপর নাই।জীবন জীবনের জন্য-মানুষ মানুষের জন্য।আজ মরলে কাল দুইদিন ; তিন দিনেই ভুলে যাবে অনেকেই।জীবনের প্রথম গোসলটি যেমন করিয়েছিলেন অন্যজন-শেষ গোসলটিও করাবেন অন্যজন। মাঝখানে শুধুই অহমিকা আর দাম্ভি-কতা।মানুষের প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা আর আত্মমানব--তার সেবা উৎসর্গ করতে সনাতন হয়েও মুসলিম ভাইদের রমজান উপলক্ষে মানবতার মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীকান্ত। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মাহে রমজান উপলক্ষে মুসলিম ধর্মালম্বী ৪ হাজার ৬শ’ দরিদ্র-হতদরিদ্র-অসহায় ও অভাবী পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে। পহেলা রমজান বৃহস্পতিবার(১৯ ফেব্রুয়ারি)দিনভর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া)গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে চাল বিতরণ করা হয়। মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস তরণীকান্ত তার নিজস্ব অর্থায়নে অত্রালাকার মুসলিম ধর্মালম্বী হতদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণ করেন।তিনটি পৃথক ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ১৫ কেজি,১২ এবং ১০ কেজি পরিমাণ চালের প্যাকেট সুশৃঙ্খল পরিবেশে অত্রালাকার দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়। বাবু হরিদাস এক প্রশ্নত্তোরে বলেন, আমার জীবনের সব কিছুই সবার।বিশেষ করে আমার মন্দিরের আশেপাশে বসবাসকারী দরিদ্র মুসলিম ভাই-বোনরা এই রোজার মাসে আস্বাদন মিটিয়ে সুন্দর করে যাতে তারা...
মোঃ উজ্জ্বল সরকার গাইবান্ধা
ধর্মীয় সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি ও নিবিড় ভ্রাতৃত্ববোধের একটি অন্যরকম ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন।পবিত্র মাহে রমজান সামনে রেখে দরিদ্র- হতদরিদ্র- অসহায় পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত অর্থায়নে চাল বিতরণ করলেন পলাশবাড়ীর হরিদাস চন্দ্র তরণীকান্ত।
সবার উপর মানুষ সত্য-তাহার উপর নাই।জীবন জীবনের জন্য-মানুষ মানুষের জন্য।আজ মরলে কাল দুইদিন ; তিন দিনেই ভুলে যাবে অনেকেই।জীবনের প্রথম গোসলটি যেমন করিয়েছিলেন অন্যজন-শেষ গোসলটিও করাবেন অন্যজন।
মাঝখানে শুধুই অহমিকা আর দাম্ভি-কতা।মানুষের প্রতি অকুণ্ঠ ভালোবাসা আর আত্মমানব–তার সেবা উৎসর্গ করতে সনাতন হয়েও মুসলিম ভাইদের রমজান উপলক্ষে মানবতার মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণীকান্ত।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে মাহে রমজান উপলক্ষে মুসলিম ধর্মালম্বী ৪ হাজার ৬শ’ দরিদ্র-হতদরিদ্র-অসহায় ও অভাবী পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
পহেলা রমজান বৃহস্পতিবার(১৯ ফেব্রুয়ারি)দিনভর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্যরামচন্দ্রপুর (বৃন্দাবনপাড়া)গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে চাল বিতরণ করা হয়।
মন্দিরটির প্রতিষ্ঠাতা শ্রী হরিদাস তরণীকান্ত তার নিজস্ব অর্থায়নে অত্রালাকার মুসলিম ধর্মালম্বী হতদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণ করেন।তিনটি পৃথক ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ১৫ কেজি,১২ এবং ১০ কেজি পরিমাণ চালের প্যাকেট সুশৃঙ্খল পরিবেশে অত্রালাকার দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
বাবু হরিদাস এক প্রশ্নত্তোরে বলেন,
আমার জীবনের সব কিছুই সবার।বিশেষ করে আমার মন্দিরের আশেপাশে বসবাসকারী দরিদ্র মুসলিম ভাই-বোনরা এই রোজার মাসে আস্বাদন মিটিয়ে সুন্দর করে যাতে তারা খাবার খেতে পারেন সেজন্য পূর্ব নির্ধারিত ৪ হাজার ৬শ’ পরিবারের বিপরীতে আমার এ ক্ষুদ্র ও সামান্যকিছু করার চেষ্টামাত্র।
আমি হিন্দু-মুসলিমের বৈষম্য বুঝিনা। আমি মানুষ।আর মানুষ হয়ে মানুষকে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা,স্নেহ আর সম্মান করব এটাই চিরায়ত।সবসময় সাধ্যমত তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাবো।থাকবো সবসময় এটাই আমার দৃঢ় প্রত্যাশা।
তিনি আরো বলেন,আমি সকল ধর্মালম্বীদের আমার সামর্থ্যানুযায়ী সাহায্য-সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। এখনও করছি।যতদিন বেঁচে থাকবো কোনো পিছুটান থাকবেনা।ভবিষ্যতেও করে যাবো।