
সীতাকুণ্ডের জঙ্গ সলিমপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন, প্রথম দিনেই ৫৭০ শিশুকে টিকা
মো:রমিজ আলী, সীতাকুণ্ড(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গ সলিমপুর এলাকায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধনী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের এই বৃহৎ উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় সীতাকুণ্ড থানাধীন ছিন্নমূলস্থ এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে, UNICEF-এর সহযোগিতায় পরিচালিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচির বিকল্প নেই। প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মো. আলতাফ হোসেন এবং UNICEF-এর চিফ অব ফিল্ড মাধুরী ব্যানার্জি। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা রোগ শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব রোগ প্রতিরোধে সময়মতো টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তাই সকল অভিভাবকদের সচেতন হয়ে তাদের সন্তানদের টিকা দেওয়ার...
মো:রমিজ আলী,
সীতাকুণ্ড(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গ সলিমপুর এলাকায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধনী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের এই বৃহৎ উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় সীতাকুণ্ড থানাধীন ছিন্নমূলস্থ এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে, UNICEF-এর সহযোগিতায় পরিচালিত এ কর্মসূচিতে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচির বিকল্প নেই। প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।



বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. মো. আলতাফ হোসেন এবং UNICEF-এর চিফ অব ফিল্ড মাধুরী ব্যানার্জি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা রোগ শিশুদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব রোগ প্রতিরোধে সময়মতো টিকা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তাই সকল অভিভাবকদের সচেতন হয়ে তাদের সন্তানদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উদ্বোধনের দিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরিচালিত টিকাদান কার্যক্রমে এস এম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ৫৭০ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হয়েছে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে টিকাদান কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এছাড়া যেসব শিশু এখনো টিকার আওতায় আসেনি, তাদের চিহ্নিত করে পরবর্তীতে টিকা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, টিকাদান কেন্দ্রে সকাল থেকেই শিশু ও অভিভাবকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। স্বাস্থ্যকর্মীরা সুশৃঙ্খলভাবে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করেন, ফলে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ভোগান্তি দেখা যায়নি।
স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের গণটিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে হাম ও রুবেলা রোগ নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন সম্ভব হবে এবং শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হবে।