
হাতিয়া দ্বীপ সমিতির উদ্যোগে হাতিয়ায় নবদিগন্ত উদ্বোধন হচ্ছে এম.ভি সুগন্ধা লঞ্চ
মোঃ সাইফুল ইসলাম তুহিন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে যাত্রীবাহী লঞ্চ এম.ভি সুগন্ধা। দ্বীপবাসীর আশা এই লঞ্চ চালু হওয়ার মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে হাতিয়ার যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। আগামী ১২ মার্চ ২০২৬ ইং, ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে এম.ভি সুগন্ধা লঞ্চের। উদ্বোধনের দিনই ১২ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় লঞ্চটি ঢাকা সদরঘাট থেকে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে। অন্যদিকে, ১৩ মার্চ ২০২৬ বিকাল ৪টায় হাতিয়ার নলচিরা ফেরিঘাট থেকে লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে। স্থানীয়রা বলছেন, হাতিয়ার মানুষের জন্য এটি শুধু একটি লঞ্চ নয় এটি উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নতুন দরজা। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগের ভোগান্তিতে থাকা দ্বীপবাসীর জন্য এটি এক বড় স্বস্তির খবর। স্থানীয় যুবক রাশেদ বলেন,অনেক বছর ধরে আমরা ভালো একটি লঞ্চ সার্ভিসের অপেক্ষায় ছিলাম। এম.ভি সুগন্ধা চালু হলে ঢাকা যাতায়াত অনেক সহজ হবে। আমরা সত্যিই আনন্দিত। হাতিয়ার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন,আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ঢাকা যাতায়াত খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এই লঞ্চ চালু হওয়ায় ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। একজন প্রবীণ বাসিন্দা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,হাতিয়া অনেকদিন ধরে অবহেলিত ছিল। আজ মনে হচ্ছে আমাদের দ্বীপ নতুন করে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।” স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগের...
মোঃ সাইফুল ইসলাম তুহিন
দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়ে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে যাত্রীবাহী লঞ্চ এম.ভি সুগন্ধা। দ্বীপবাসীর আশা এই লঞ্চ চালু হওয়ার মাধ্যমে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে হাতিয়ার যোগাযোগ আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।
আগামী ১২ মার্চ ২০২৬ ইং, ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে এম.ভি সুগন্ধা লঞ্চের। উদ্বোধনের দিনই ১২ মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় লঞ্চটি ঢাকা সদরঘাট থেকে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবে।
অন্যদিকে, ১৩ মার্চ ২০২৬ বিকাল ৪টায় হাতিয়ার নলচিরা ফেরিঘাট থেকে লঞ্চটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে।
স্থানীয়রা বলছেন, হাতিয়ার মানুষের জন্য এটি শুধু একটি লঞ্চ নয় এটি উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নতুন দরজা। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগের ভোগান্তিতে থাকা দ্বীপবাসীর জন্য এটি এক বড় স্বস্তির খবর।
স্থানীয় যুবক রাশেদ বলেন,অনেক বছর ধরে আমরা ভালো একটি লঞ্চ সার্ভিসের অপেক্ষায় ছিলাম। এম.ভি সুগন্ধা চালু হলে ঢাকা যাতায়াত অনেক সহজ হবে। আমরা সত্যিই আনন্দিত।
হাতিয়ার ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী বলেন,আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ঢাকা যাতায়াত খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এই লঞ্চ চালু হওয়ায় ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
একজন প্রবীণ বাসিন্দা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,হাতিয়া অনেকদিন ধরে অবহেলিত ছিল। আজ মনে হচ্ছে আমাদের দ্বীপ নতুন করে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”
স্থানীয়দের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাতিয়ার উন্নয়ন যাত্রা আরও বেগবান হবে। অনেকেই মনে করছেন—এই উদ্যোগে হাতিয়া দ্বীপ সমিতির সক্রিয় ভূমিকা দ্বীপবাসীর জন্য একটি আশার আলো হয়ে উঠেছে।
দ্বীপবাসীর প্রত্যাশা—
হাতিয়া দ্বীপ সমিতির হাত ধরে দ্বীপ হাতিয়াতে নবদিগন্তের সূচনা হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নতুন এই লঞ্চ সার্ভিসের মাধ্যমে হাতিয়া ও ঢাকার মধ্যে যোগাযোগ আরও গতিশীল হবে—এমনটাই আশা করছেন সাধারণ মানুষ। দ্বীপবাসীর বিশ্বাস, উন্নয়নের এই যাত্রা হাতিয়াকে আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় দ্বীপে পরিণত করবে।