
গাংনীতে সাংবাদিককে তেল বঞ্চিত করে অপমান—ওসি উত্তম কুমার দাসের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ।
সেলিম রজা (গাংনী) বৈধ কাগজ দেখিয়েও তেল পেলেন না সাংবাদিক, ওসির ‘প্রভাবশালী মহলকে সুবিধা’—ক্ষোভে ফুঁসছে জনমত মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় হোসেন ফিলিং স্টেশনে এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও তেল থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি স্থানীয় সাংবাদিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী দৈনিক পশ্চিমাঞ্চলের গাংনী প্রতিনিধি ও মুভি বাংলা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মোঃ সেলিম রেজা জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তিনি তেল সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাস। সেলিম রেজার অভিযোগ, ওসি তার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে বৈধ সকল কাগজ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করেন। কিন্তু এরপরই পরিস্থিতি রহস্যজনকভাবে পরিবর্তিত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওসির এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির প্রাইভেটকার তেল নিতে এলে সাংবাদিক সেলিম রেজাকে উপেক্ষা করে ওই গাড়িতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহ করা হয়। শুধু তাই নয়, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ‘কাগজ ঠিক নেই’ বলে অভিযোগ তুলে তাকে তেল দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়। এসময় প্রতিবাদ জানালে ওসি উত্তম কুমার দাস সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং নিজের ক্ষমতার দাপট দেখান বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে আরও অপমান ও হেনস্তার শিকার হতে হয়। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি...
সেলিম রজা (গাংনী)
বৈধ কাগজ দেখিয়েও তেল পেলেন না সাংবাদিক, ওসির ‘প্রভাবশালী মহলকে সুবিধা’—ক্ষোভে ফুঁসছে জনমত
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় হোসেন ফিলিং স্টেশনে এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত ও তেল থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি স্থানীয় সাংবাদিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
ভুক্তভোগী দৈনিক পশ্চিমাঞ্চলের গাংনী প্রতিনিধি ও মুভি বাংলা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মোঃ সেলিম রেজা জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর তিনি তেল সংগ্রহের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাস।
সেলিম রেজার অভিযোগ, ওসি তার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে বৈধ সকল কাগজ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করেন। কিন্তু এরপরই পরিস্থিতি রহস্যজনকভাবে পরিবর্তিত হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওসির এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তির প্রাইভেটকার তেল নিতে এলে সাংবাদিক সেলিম রেজাকে উপেক্ষা করে ওই গাড়িতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহ করা হয়। শুধু তাই নয়, বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও ‘কাগজ ঠিক নেই’ বলে অভিযোগ তুলে তাকে তেল দেওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়।
এসময় প্রতিবাদ জানালে ওসি উত্তম কুমার দাস সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং নিজের ক্ষমতার দাপট দেখান বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পরও তাকে আরও অপমান ও হেনস্তার শিকার হতে হয়।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন—আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের পক্ষপাতমূলক ও অসম আচরণ কতটা গ্রহণযোগ্য?
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এটি শুধু একজন সাংবাদিকের সাথে অন্যায় নয়, বরং আইনের শাসনের প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রকাশ। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও গাংনী থানার ওসি উত্তম কুমার দাসের কোনো বক্তব্য দেইনি।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত ও অপমান করার এমন ঘটনা যদি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় না আনা হয়, তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।