
ধুনটে যমুনায় বাবা ছেলের হাতে ধরা পড়লো ১০৫ কেজির ওজনের বাগার মাছ।
মোঃ গোলাম রব্বানী,ধুনট বগুড়া বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের শহড়াবাড়ী ঘাট এলাকায় যমুনা নদীতে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়েছে বিশালাকৃতির এক বাগার মাছ। যার ওজন প্রায় ১০৫ কেজি। মঙ্গলবার (১০ মার্চ ) সকালে মাছটি ধরা পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোসাইবাড়ী কুটির ঘাট এলাকার বাসিন্দা শ্রী রাম সুরুত চৌধুরী ও তার ছেলে শ্রী রঞ্জন চৌধুরী যমুনা নদীতে 'হাজারী বড়শি' পেতেছিলেন। ভোরের দিকে তাদের বড়শিতে বিশাল এই বাগার মাছটি আটকা পড়ে। মাছটি ডাঙায় তুলতে তাদের সহযোগিতা করেন একই এলাকার শ্রী মিঠুন চৌধুরী। পরে বিশাল এই মাছটি দেখার জন্য নদীর ঘাটে উৎসুক জনতা ভিড় জমাতে শুরু করে। মাছটি বিক্রির জন্য কোনো বাজারে না নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চুনিয়াপাড়া প্রাইমারি স্কুল প্রাঙ্গণে মাছটি আনা হলে সেখানে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় মোঃ নুর আলম, মোঃ মাহমুদুল, টিবলু, রবিন, ইব্রাহীম, নাহিদ ও রাজুসহ একদল যুবক মাছটি কাটাকাটি ও বণ্টনের দায়িত্ব পালন করেন। জানা গেছে, বিশালাকৃতির এই মাছটি মোট ১১৮টি ভাগে বিভক্ত করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এই বিরল মাছের অংশীদার হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসেন। প্রতি ৭৫০ গ্রাম ওজনের এক একটি ভাগের জন্য নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার টাকা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যমুনা নদীতে মাঝেমধ্যেই বড় মাছ ধরা পড়লেও...
মোঃ গোলাম রব্বানী,ধুনট বগুড়া
বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের শহড়াবাড়ী ঘাট এলাকায় যমুনা নদীতে জেলেদের বড়শিতে ধরা পড়েছে বিশালাকৃতির এক বাগার মাছ। যার ওজন প্রায় ১০৫ কেজি। মঙ্গলবার (১০ মার্চ ) সকালে মাছটি ধরা পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোসাইবাড়ী কুটির ঘাট এলাকার বাসিন্দা শ্রী রাম সুরুত চৌধুরী ও তার ছেলে শ্রী রঞ্জন চৌধুরী যমুনা নদীতে ‘হাজারী বড়শি’ পেতেছিলেন। ভোরের দিকে তাদের বড়শিতে বিশাল এই বাগার মাছটি আটকা পড়ে। মাছটি ডাঙায় তুলতে তাদের সহযোগিতা করেন একই এলাকার শ্রী মিঠুন চৌধুরী। পরে বিশাল এই মাছটি দেখার জন্য নদীর ঘাটে উৎসুক জনতা ভিড় জমাতে শুরু করে।
মাছটি বিক্রির জন্য কোনো বাজারে না নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চুনিয়াপাড়া প্রাইমারি স্কুল প্রাঙ্গণে মাছটি আনা হলে সেখানে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় মোঃ নুর আলম, মোঃ মাহমুদুল, টিবলু, রবিন, ইব্রাহীম, নাহিদ ও রাজুসহ একদল যুবক মাছটি কাটাকাটি ও বণ্টনের দায়িত্ব পালন করেন।
জানা গেছে, বিশালাকৃতির এই মাছটি মোট ১১৮টি ভাগে বিভক্ত করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এই বিরল মাছের অংশীদার হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসেন। প্রতি ৭৫০ গ্রাম ওজনের এক একটি ভাগের জন্য নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার টাকা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যমুনা নদীতে মাঝেমধ্যেই বড় মাছ ধরা পড়লেও ১০৫ কেজি ওজনের বাগার সচরাচর দেখা যায় না। মাছটি সরাসরি দেখে এবং এর অংশ হতে পেরে অনেকে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১১৮টি ভাগই বিক্রি হয়ে যায়।